
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল, বাউফল
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া ৯ নং ওয়ার্ডের মোঃ আনসার হাওলাদারের ছেলে মোহাম্মদ কাউসারের নামে পটুয়াখালী নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল কোর্টে মামলার অভিযোগ করেছেন কেরানীগঞ্জ এলাকার নাসিমা আক্তার নামে এক নারী। গত ২৮ শে জুলাই পটুয়াখালী নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছে। মামলা নং ২৪৪ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নাসিমা বেগমের স্বামীর সাথে দীর্ঘদিন ব্যবসায়ী সম্পর্কের কারণে মোঃ কাউসার ভিবিন্ন সময়ে বাসায় আসা যাওয়ায় এক পর্যায়ে গভীর সম্পর্ক হয় ১৫/০১ /২০২১ তারিখ নাসিমার স্বামী ও বাচ্চাদের অনুপস্থিতিতে এসে জোরপূর্বক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাছিমা আক্তারের সাথে শারীরিক সম্পর্কে করে। সম্পর্কের এক পর্যায়ে নাসিমার সংসারের স্বামী ও বাচ্চাদের রেখে মোহাম্মদ কাউসারের সাথে অন্য বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন প্রায় পাঁচ বছর যাবত একসাথে থেকে এবং নাসিমার সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন একটা পর্যায়ে নাসিমা তার বাবার বাড়ির জমি বিক্রি করে মোঃ কাউসাকে স্বামী হিসাবে মেনে নিয়ে ব্যবসার জন্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা এনে বিশ্বাসের খাতিরে মোঃ কাউসার কে দেন। নাসিমাকে এমন প্রেমের ফাঁদে ফেলে যাতে করে নাসিমার ১৫ লক্ষ টাকা এবং নাসিমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেন।
একটা পর্যায়ে নাসিমা কে ফেলে অন্যত্রে চলে যায় এই প্রতারক কাউসার। কাউসার এর ব্যবহৃত জামাকাপড় ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী এবং চেক জমা রেখে নাসিমার কাছ থেকে টাকা পয়সা নেওয়ার কিছু কিছু প্রমাণ নাসিমার হাতে থাকায় নাসিমা তৎক্ষণিক কাউসারের গ্রামার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়াডে এসে (১১/০৬/২০২৫) তারিখ হাজির হন এবং রাত্রি যাপন করেন। পরের দিন বাউফল থানা পুলিশ কাউসার এবং নাসিমাকে আপস মীমাংসা করার জন্য থানার নাসিমাকে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু কাউসার থানায় আসেনি । পড়ে নাসিমা গিয়ে পরবর্তীতে পটুয়াখালী নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করার জন্য বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আখতারুজ্জামান সরকারকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।
এ ব্যাপারে মোঃ কাউসারের ০১৬২৬৩১৮০৭৭ এই মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার ফোন করে যোগাযোগের চেষ্টা করলে মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান বলেন কোর্টের অর্ডারে বাউফল থানায় মামলা নেয়া হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।