1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
লালমোহনে নির্মাণাধীন মাদ্রাসা ভবনের কাজ বন্ধের মামলা খারিজ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news লালমোহনে নির্মাণাধীন মাদ্রাসা ভবনের কাজ বন্ধের মামলা খারিজ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

লালমোহনে নির্মাণাধীন মাদ্রাসা ভবনের কাজ বন্ধের মামলা খারিজ

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ১৩৯ বার পঠিত
Spread the love

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

ভোলার লালমোহনের কালমা ইউনিয়নে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবনের কাজ আদালতে মামলা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয় এলাকাবাসী। বন্ধের বিষয়ে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। তবে বুধবার ২৯ এপ্রিল বিজ্ঞ আদালতে মামলা খারিজ হয়ে যায়। ফলে ভবনের কাজে আর কোন বাধা নেই।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কালমা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড চরছকিনা গ্রামের মুন্সি বাড়ির মো. জিয়াউল হক, মো. জিল্লুর রহমান ফরহাদ বলেন, ৪ বছর আগে আমাদের জমিতে বাবার নামে হাজী নুরুল ইসলাম দারুল আরকাম ক্বওমী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করি। এখানে ১ একর ১২ শতাংশ জমি রয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী বেড়ে যাওয়ায় এবং এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে ৩ তলা ফাউন্ডেশন নিয়ে ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নিচে মসজিদ ও উপরে মাদ্রাসার পাঠদান, আবাসিক কক্ষ নির্মাণ হবে। নিচ তলার কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেলে আমাদের চাচী লুৎফা বেগম একটি কুচক্রি মহলের ইন্ধনে ভোলা কোর্টে নিষেধাজ্ঞা মামলা করেন। তার দাবী জমিতে তার মালিকানা রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই জমিতে লুৎফা বেগমের কোন স্বত্ব নেই। মামলা করায় আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি হলে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এতে মাদ্রাসার প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ সৃস্টি হয়। তাদের বর্ষা মৌসুমের আগে পাকা ভবনে যাওয়ার বাধা সৃস্টি করা হয়। কিন্তু বুধবার বিজ্ঞ আদালত লুৎফা বেগমের মামলা খারিজ করে দেন। তিনি জমি না পেলেও অযথা হয়রানী করেন। একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান নির্মাণে বাধা সৃস্টি করেন।

জিয়াউল হক ও মো. জিল্লুর রহমান ফরহাদ আরো বলেন, ৪ মাস কাজ বন্ধ করে রাখায় আমাদের লাখ লাখ টাকার রড, সিমেন্টসহ মালামাল নস্ট হয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ভোগান্তির মধ্যে ছিলেন। নানানভাবে আমাদের হয়রানী করেছেন। এসব ক্ষয়ক্ষতি ও হয়রানীর বিচার দাবী করেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন