1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
লালমোহনে বিধবার ভোগদখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news লালমোহনে বিধবার ভোগদখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

লালমোহনে বিধবার ভোগদখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৪ বার পঠিত
Spread the love

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের উত্তর পশ্চিম চরমোল্লাজী গ্রামের সীমানা সংলগ্ন  চতলা মৌজার এক নিরিহ বিধবার ভোগদখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টা ও ৫টি  রেন্টি ( করাই) গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার প্রভাবশালী, একাধিক ব্যক্তির  জমি জবর দখলকারী, মৃত আলী হোসেনের ছেলে মোঃ সফিউল্ল্যাহ মাঝি (৬০) তার ছেলে মো. জসীম (৪৫), মো. আব্বাস উদ্দিন (৩০) স্ত্রী মনোয়ারা (৫৫) মেয়ে পারভীন (৩৫) এর বিরুদ্ধে। সরেজমিন ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরমোল্লাজী গ্রামের মন্তারাগো বাড়ীর মো. বাচ্চু মিয়া পিতা মো. ফয়েজ আহমদ ২০০৮ ইংরেজি সনে  তার প্রতিবেশী মো. হারেছ আহমদ পিতা মৃত কালা মিয়া  থেকে জেএল- ৪১  চতলা মৌজার ৫৮২ নম্বর খতিয়ানের ৩০৫ ও ৩১৩ নম্বর দাগ ভূক্ত সাড়ে ৬ শতাংশ জমি খরিদ করে ভোগ দখল করে আসছে। যার দলিল নম্বর -২৯৪৮ তারিখ ২৪/০৬/২০০৮ ইং । ওই খরিদকৃত জমির মালিক মো. বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী জুলেখা বেগম জানান, ২০১০ ইংরেজি সনে তার স্বামী কাজের সুবাদে চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়। তার স্বামী ১  ছেলে ও ১ মেয়ে (শিশু সন্তান) রেখে মারা যায়। দুই শিশু সন্তান নিয়ে শুরু হয় অসহায় জীবন তার। তার স্বামীর খরিদকৃত জমি তার নিজের নামে ও দুই সন্তানের নামে ওয়ারিশ সুত্রে মালীক হয়ে নামজারী যার খতিয়ান নম্বর – ২০২৫-১০০০০১ এবং খাজনা পরিষদ করেন যার ক্রমিক নম্বর-০৯৫৪২৫০২৬৪১৩ । স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জমিটুকুর প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পরে পাশ্ববর্তী প্রভাবশালী  ভূমি দস্যু সফিউল্ল্যাহ গংদের। ওই দখলীয় জমিতে লাগানো পাঁচটি রেন্টি (করাই) গাছ (যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ টাকা) কেটে নিয়ে যায়। সেটেলমেন্ট থেকে  অবৈধভাবে ভূয়া ও কাল্পনিক পর্চা সৃজন করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে উক্ত জমি। বিধবা জুলেখা বেগমের ভাই মো. মাকসুদুর রহমান জানান, আমার ভগ্নিপতি মারা যাওয়ার পর তার রেখে যাওয়া ভোগ দখলীয় জমি  চতলা মৌজার সাড়ে ৬ শতাংশ ও চরমোল্লাজী মৌজার ৭ শতাংশ আমার বিধবা বোন,  এতিম ভাগিনা ও ভাগ্নী ভোগ দখল করে আসছে। কিন্তু গত কিছু দিন আগ থেকে ভূমি দস্যু ও জলদস্যু সফিউল্লাহ মাঝি গংরা দলিল ব্যতীত  ভূয়া পর্চা সৃজন করে আমার বোন ও ভাগিনা, ভাগ্নীর দখলকৃত জমি জবর দখলের চেষ্টা করে এবং ৫টি  গাছ কেটে নিয়ে যায়। উক্ত জমির বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গণ্যমান্যব্যক্তিদের ফয়সালাকে অমান্য করে জোর করে এবং ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গাছ কেটে নিয়ে যায়। আমি আমার বিধবা বোন ও এতিম ভাগিনা  ভাগ্নীর পক্ষে প্রশাসনের নিকট এ জুলুমকারী   সফিউল্লাহ গংদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক  সঠিক বিচার দাবী করছি।

ওই মৌজার একই খতিয়ানের ২০ শতাংশ জমির আরেকজন মালীক মো. ইব্রাহিম মিয়া পিতা মৃত কালা মিয়া বলেন, আমার পিতা কালা মিয়ার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশান সূত্রে  আমি এবং আমার মা ওই খতিয়ানে ২০ শতাংশ জমির মালীক, কিন্তু সফিউল্লাহ মাঝি আমার জমি ও জবর দখল করে আছে। আমি আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিতেছি সে এলাকার কোন ফয়সালা মানছেনা।

উপরিউক্ত জমির ফয়সালার বিষয়ে লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও রমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাফর ইকবাল বলেন, আমি সহ ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের নিরব চেয়ারম্যান, তামিম মহাজন, ও জাকির চেয়ারম্যান দু পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই  করে দেখেছি। সফিউল্লাহ উপযুক্ত দলিল দেখাতে পারেনি। সে যাহা করছে সবই খামখেয়ালি কারও ফয়সালা মানছে না।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. সফিউল্লাহকে একাধিকবার ফোন করেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উক্ত বিষয়ে লালমোহন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. অলিউল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন