1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
তেল সংকটে অচল চরাঞ্চল, বিপাকে হাজারো মানুষ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news তেল সংকটে অচল চরাঞ্চল, বিপাকে হাজারো মানুষ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

তেল সংকটে অচল চরাঞ্চল, বিপাকে হাজারো মানুষ

লিটন মাহমুদ, মুন্সিগঞ্জ 
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত
Spread the love
লিটন মাহমুদ, মুন্সিগঞ্জ 
মুন্সিগঞ্জের সদর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দিঘীরপাড়—নদীবেষ্টিত দুর্গম অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার একমাত্র ভরসা ছিল ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। কিন্তু হঠাৎ দেশে পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ সংকট দেখা দেওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে এসব মোটরসাইকেলের চলাচল। এতে প্রায় ৫০০টির বেশি মোটরসাইকেল চালক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, আর স্থানীয় মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, এলাকায় কোনো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। নদীপথ ও কাঁচা রাস্তার কারণে মোটরসাইকেলই দ্রুত চলাচলের একমাত্র মাধ্যম ছিল। জ্বালানি সংকটের কারণে বর্তমানে অধিকাংশ মোটরসাইকেল অচল হয়ে পড়েছে।
এতে করে স্থানীয়দের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে চরম কষ্টসাধ্য। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে পৌঁছে দিতে পারছেন না। অনেককে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে মাথায় করে কৃষিপণ্য নিয়ে বাজারে যেতে হচ্ছে।
স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা প্রতিদিন মোটরসাইকেল চালিয়ে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতাম। এখন তেল না থাকায় গাড়ি বের করতে পারছি না। সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে।”
আরেক চালক সোহেল মিয়া বলেন, “এই মোটরসাইকেলই আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস। হঠাৎ করে তেলের অভাবে আমরা বেকার হয়ে পড়েছি। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।”
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম জানান, “আগে মোটরসাইকেলে ২০-৩০ মিনিটে বাজারে যাওয়া যেত। এখন হেঁটে যেতে ২-৩ ঘণ্টা লাগে। এতে সময় ও কষ্ট দুটোই বাড়ছে।”
গৃহিণী রহিমা বেগম বলেন, “বাচ্চা অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেওয়া খুব কঠিন হয়ে গেছে। কোনো যানবাহন পাওয়া যায় না, অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়।”
কৃষক মজিবর রহমান জানান, “আমাদের সবজি, ধানসহ বিভিন্ন ফসল সময়মতো বাজারে পৌঁছাতে না পারায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।”
এলাকাবাসী দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, চরাঞ্চলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে এই সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন