1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
মনপুরায় মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ ভবেন ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news মনপুরায় মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ ভবেন ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

মনপুরায় মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ ভবেন ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

মোঃ ছালাহউদ্দিন, মনপুরা 
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬৬ বার পঠিত
Spread the love
মোঃ ছালাহউদ্দিন, মনপুরা 
ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। বেরিয়ে আসছে রড। দেয়াল ও পিলারের পলেস্তারা কোথাও আছে, কোথাও নেই। মেঝেতে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। একবারে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে দ্বিতল ভবনটি।
এমন চিত্র দেখা গেছে ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া মহিলা দাখিলা মাদ্রাসার একমাত্র দ্বিতল ভবনটি। এই মাদ্রাসায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতিদিন ঝুঁকি ও আতংকে নিয়ে ক্লাস করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা এয়াকুব আলী হান্নান বলেন, মাদ্রাসার একমাত্র দ্বিতল ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস নিতে হচ্ছে। সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। বর্ষায় প্রতিদিন পানি চুঁয়ে পড়ে। মাদ্রাসায় নতুন ভবন প্রয়োজন। বিষয়টি  একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ছাদ খসে পলেস্তারা পড়ে গেছে। ভবনের খুটি (পিলার) ও দেয়ালের পলেস্তার খসে পড়ে রড দেখা যায়। ভবনটির বারান্দা ও চারপাশের অবস্থা খুবই নাজুক। বৃষ্টির পানি চুঁয়ে পড়ে। সবখানে পলেস্তার খসে পড়ছে।
মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী আলিসা আক্তার জিনুক বলেন, আমরা প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করি। ভবনের অবস্থা দেখে ভয় লাগে। পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারিনা। যার প্রভাব পরীক্ষায় পড়ে। ছাদ ও পিলারের পলেস্তারা খসে পড়েছে। বৃষ্টির পানি চুঁয়ে পড়ে আমাদের বই খাতা ভিজে যায়।
নবম শ্রেণির ছাত্রী আকলিমা আক্তার রিংকু বলেন, ক্লাস করার সময় অনেক সময় মনে হয় ভবনের কোনো অংশ ভেঙে পড়তে পারে। এতে আমরা আতঙ্কের মধ্যে থাকি। কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের নিরাপদ শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করার দাবি জানাই। মাদ্রাসায় নিরাপদ ভবন দেওয়ার দাবী করি।
জানা যায়, ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ৪৮৭ জন শিক্ষার্থী, ১৫ জন শিক্ষক, শিক্ষিকা ও ৫ জন কর্মচারী রয়েছে। একটি ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ দ্বিতল ভবন ও টিনশেড ভবন রয়েছে।
এই ব্যাপারে সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিম মোল্লা ও সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মিজান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে গিয়ে আমরা সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি। ভবনটির বর্তমান অবস্থা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তারা মাদ্রাসায় নতুন ভবনেে দাবী করেন।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এই মুহূর্তে আমার কাছে কোনো বাজেট নেই। আপনারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি জানান। আমি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খান সালমান হাবীব জানান, বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। জেলা প্রশাসক স্যার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছেন। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন