1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
কলাপাড়ায় র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news কলাপাড়ায় র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কলাপাড়ায় র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩
  • ১৫০ বার পঠিত
Spread the love

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঘূর্নিঝড় মোখা আতঙ্কে র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সবারই দৃষ্টি ছিল, নদীর দিকে,নদীতে কতটুকু পানি বৃদ্ধি পেয়েছে কিংবা বাতাসের গতিবেগ কতটা এ গুলোই ছিল আলোচনার বিষয় ।  শনিবার দুপুর পর্যন্ত মানুষের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ তেমন না থাকলেও বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধি এবং সিপিপি’র সদস্যদের আপ্রান চেষ্টায় মানুষ আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। এদের অধিকাংশ ৮ নাম্বার মহাবিপদ সংকেতকে ভয়াবহ হিসেবে নিয়েছে। ফলে অধিকাংশ মানুষ অনেকটা র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, উপজেলা প্রশাসন ১৭৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র সহ ১৯টি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখলেও বিগত দিনের তুলনায় মানুষ আশ্রয় নিয়েছে কম। তবে কেউ কেউ প্রতিবেশীদের অপেক্ষাকৃত ভাল বাসা-বাড়ীতেও আশ্রয় নিয়েছে। অনেক কৃষক তাদের গবাদি পশু এলাকার উঁচু স্থানে নিরাপদে রেখেছে। বিকেল থেকেই সিপিপির সদস্যরা মাইকিং করে মহাবিপদ সংকেত জানানোর পাশাপাশি নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সহ ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
এ ব্যাপারে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের ই্টবাড়িয়া গ্রামের অধিবাসী মো.ইউসুফ আলী বলেন, সিডরে তার অনেক ক্ষতি হইছে, এহন আগেই আশ্রয় কেন্দ্রে গেছিলাম। তবে সরকার থেইক্যা ভাল ব্যবস্থা করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মহিপুর ইউনিয়নের বিপনপুন গ্রামের বাসিন্দা রাজ্জাক মিয়া বলেন’ আল্লায় মোগো রক্ষা হরছে, সিডরে যে চুবানি খাইছি,হ্যা ভুইল্যা যাই নাই। পোলাপান লইয়া দিন থাকতেই আশ্রয়কেন্দ্রে গেছি। তবে আতংকে রাইতে য়ুমাইতে পারি নাই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে, রবিবার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় কোন দূর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বাতাসের গতিবেগ স্বাভাবিক ছিল,নদীতে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দু’তিন ফুট বেশী ছিল।তবে আকাশ সারাদিনই ছিল মেঘাচ্ছন্ন। বন্যা আতংকে পৌরশহরের লোকজনের আনাগোনা ছিল খুবই কম। যানবাহনও খুবই কম চলাচল করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন