1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
কলাপাড়ায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরবাড়ির ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news কলাপাড়ায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরবাড়ির ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

কলাপাড়ায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরবাড়ির ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৭ বার পঠিত
Spread the love
এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ব্ল্যাংক নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া, মারধর, হত্যাচেষ্টা, মোবাইল ফোন ও ব্যাংকের চেকবই ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে শ্বশুর-শাশুড়ি, স্ত্রীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলাটি করেছেন উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের ১১ নম্বর হাওলা, বানাতীবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. নূর সায়েত হাওলাদার (৪১)। মামলাটি কলাপাড়া উপজেলার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন-মো. রাহান (২০), মো. জাফর রাজা (৫০), মো. ইউসুফ প্যাদা (৫৬), মো. রাকিব (২২), মো. মিন্টু প্যাদা (৪০), মো. মিন্টু রাঢ়ী (৪৪), শিরিনা বেগম (৪২) ও জুলিয়া বেগম (২৩)। তাদের সবার বাড়ি কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের হাচনাপাড়া ১৩ নম্বর আবাসনে।
মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি পারিবারিকভাবে জুলিয়া বেগমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের আগে থেকেই শ্বশুর জাফর রাজার সঙ্গে অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা-মোকদ্দমা চলতে থাকে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ২৪ মে রাতে আপস-মীমাংসার কথা বলে তাঁকে আসামিদের বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এ সময় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা আগের মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় জোরপূর্বক দুটি ১০০ টাকার ব্ল্যাংক নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া তাঁর ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন, ব্যাংকের চেকবইসহ ব্যাগে থাকা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা চালানো হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মো. নূর সায়েত হাওলাদার বলেন, “আসামিরা বর্তমানে ঢাকায় পলাতক রয়েছে। পুলিশ এখনো তাদের গ্রেপ্তার করেনি। আমি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. হামিদুল হক খান বলেন, “মামলাটি তদন্ত শেষে চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো বাদীর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন