1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
বাউফলের বগা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহ কারির তালিকায় সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, এলাকায় বিতর্ক - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news বাউফলের বগা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহ কারির তালিকায় সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, এলাকায় বিতর্ক - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাউফলের বগা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহ কারির তালিকায় সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, এলাকায় বিতর্ক মনপুরায় মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজ সরকারিকরণের উদ্যোগ: প্রশংসায় ভাসছেন এমপি নয়ন জুলাই দিবস পালন শেষে জাজিরা উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির শুভেচ্ছা বিনিময় লালমোহনে ফেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বাউফলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোরহানউদ্দিনে তেঁতুলিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ১০ দপ্তরে আইনি নোটিশ লালমোহনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বাউফলে চিত্রাঙ্কন ও আলোচনা সভা লালমোহন পৌর বিএনপির সভাপতি জান্টু মিয়া উন্নত চিকিৎসায় চীনে গমন

বাউফলের বগা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহ কারির তালিকায় সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, এলাকায় বিতর্ক

পটুয়াখালীপ্রতিনিধি।
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ বার পঠিত
Spread the love

পটুয়াখালীপ্রতিনিধি।

পটুয়াখালী জেলায় বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কারির নিয়োগে চূড়ান্ত তালিকায় মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তালিকা অনুযায়ী, বগা ইউনিয়নের সাবুপুরা গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে মাসুম হাওলাদার (ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি) ২০২৪ সালে পটুয়াখালী আদালতে একটি মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হন। পরে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেলেও সাজা বাতিলের জন্য করা আপিলের এখনো শুনানি হয়নি। ফলে তার বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা এখনও বহাল রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এমন অবস্থায় একজন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম কীভাবে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগীর তালিকায় স্থান পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নজরদারির দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।

অন্যদিকে, একই তালিকায় ২ নম্বরে থাকা রত্না আক্তারের নাম নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তিনি সাবুপুরা গ্রামের রফিক মৃধার মেয়ে এবং স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগপন্থী পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত। তাকে কীভাবে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দ্রুত তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।#

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন