1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
তজুমদ্দিনে প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির অভিযোগ। - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news তজুমদ্দিনে প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির অভিযোগ। - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লালমোহনে ইউএইচএফপিও এর উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ লালমোহনে ইউএইচএফপিও এর উদ্যোগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের জন্য ৩টি হুইল চেয়ার প্রদান মহা ষষ্ঠীর মধ্যে দিয়ে তজুমদ্দিনে ১৫ মণ্ডপে হবে দেবীর আগমন। ঢাক-শঙ্খে মুখরিত উপজেলা লালমোহনে জাতীয় শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মনপুরায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু লালমোহনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনা সভা বাউফলে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা লালমোহনে ২৩টি মন্ডপে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব বাউফল উপজেলা বিএনপির সাথে সেলিমা রহমান এমপির মতবিনিময় মনপুরায় হামে আক্রান্ত কণ্যাশিশুর মৃত্যু

তজুমদ্দিনে প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির অভিযোগ।

স্টাফ রিপোর্টার, ভোলা
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২৩ বার পঠিত
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার, ভোলা

ভোলার তজুমদ্দিনে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ শতাংশ জমি গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের জমির দাতা নেপাল চন্দ্র চৌধুরীর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে জমি বিক্রির বিষয়টি গোপন রেখে বিদ্যালয়ের জমির দখল ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ১০৯ নম্বর পশ্চিম শশীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিমল চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের জমি রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নে ১৯৯২ সালে ১০৯ নম্বর পশ্চিম শশীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৪ সালে স্থানীয় বাসিন্দা নেপাল চন্দ্র চৌধুরী এসএ ৩০৮/১ খতিয়ানের ১২৭৪, ১৩৬৯ ও ১৩৭৫ নম্বর দাগের ৫০ শতাংশ জমি ১৩৫৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। পরে ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের আওতায় আসে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের নিজস্ব দোতলা ভবনে পাঠদান কার্যক্রম চলছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০১০ সালে বিদ্যালয়ের জমির বিষয়টি গোপন রেখে প্রধান শিক্ষক বিমল চন্দ্র বিশ্বাসের যোগসাজশে দাতা নেপাল চন্দ্র চৌধুরী একই দাগভুক্ত জমির ৩১ শতাংশ অন্য ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন। এ সময় দাতা ও প্রধান শিক্ষক মিলে বিদ্যালয়ের ওই জমির দখলও ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর দীর্ঘ ১৬ বছর অতিবাহিত হলেও বিদ্যালয়ের জমি বিক্রি বা বেদখলের বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিস কিংবা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরকে জানানো হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি একই খতিয়ানের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বিধু ভূষণ চৌধুরী খোকন এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
তবে দাতা নেপাল চন্দ্র চৌধুরীর ভাই বিমল চৌধুরী বলেন, “স্কুল চলমান না থাকায় আমার ভাই তার অংশ বিক্রি করে দিয়েছেন।”
স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদউদ্দিন ফকির বলেন, “আমাদের বাড়ির দক্ষিণ পাশে টিনশেড ঘরে স্কুল চলত। পরে একই দাগের দক্ষিণ অংশে টিনশেড ঘরটি স্থানান্তর করা হয়।”

অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বিমল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, “স্কুল প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। দাতার আরও জমি ছিল। সেই সঙ্গে স্কুলের জমিও তিনি দখলে নিয়ে গেছেন। স্কুল ভবন নির্মাণের জন্য যতটুকু জমি প্রয়োজন, তা তিনি দিয়েছেন।”

এ বিষয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল আলম বলেন, “স্কুলের জমি বেদখলের বিষয়ে আমাদের অবহিত করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে।”
বিদ্যালয়ের নামে রেজিস্ট্রি করা জমি কীভাবে বিক্রি হলো এবং দীর্ঘদিন বিষয়টি শিক্ষা বিভাগের নজরের বাইরে থাকল—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন