1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
কলাপাড়ায় চেক ও স্ট্যাম্প জালিয়াতির অভিযোগে ইউএনও’র বরাবর আবেদন - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news কলাপাড়ায় চেক ও স্ট্যাম্প জালিয়াতির অভিযোগে ইউএনও’র বরাবর আবেদন - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কলাপাড়ায় চেক ও স্ট্যাম্প জালিয়াতির অভিযোগে ইউএনও’র বরাবর আবেদন

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৩৭ বার পঠিত
Spread the love
এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ
কলাপাড়ায় প্রতারণার মাধ্যমে পরিশোধিত টাকার চেক ও ষ্ট্যাম্প ফেরত না দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ফরিদগঞ্জ গ্রামের মো. দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার। এ বিষয়ে তিনি অভিযুক্ত মোঃ বশির সিকদার কে আসামি করে কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে দেলোয়ার হোসেন উল্লেখ করেন, কলাপাড়া পৌরসভার বাদুরতলী ০৮ নং ওয়ার্ড (সিকদার বাড়ী) এলাকার মৃত: সেরাজুল ইসলাম’র মোঃ বশির সিকদার এর কাজ থেকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে শতকরা ১০ টাকা মাসিক হারে তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ৯০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। পরবর্তী ১০ মাসে তিনি ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করেন। বাকি ৩৫ হাজার টাকা না দিতে পারায়, গত ৬ জুলাই ২০২৩ তারিখে ০.১৬৫০ শতাংশ জমির উপর কবলা দলিল প্রদান করেন।
ওই সময় তিনি পুবালী ব্যাংক লিমিটেড, কলাপাড়া শাখার দুটি চেক এবং স্বাক্ষরিত ৬টি ১০০ টাকার স্ট্যাম্প মোঃ বশির সিকদার এর নিকট প্রদান করেন। পরে মোঃ বশির সিকদার লিখিত অঙ্গীকার দেন যে, হারিয়ে যাওয়া চেক ও স্ট্যাম্প উদ্ধারের পর তা ফেরত দেওয়া হবে।
কিন্তু পরবর্তীতে বিবাদী এই চেক ও স্ট্যাম্প অবৈধভাবে ব্যবহার করে চার লাখ ৪০ হাজার টাকার ভুয়া দাবি করে ব্যাংকে জমা দেন। এমনকি দেলোয়ার হোসেনকে হুমকি দিয়ে জেল খাটানোর ভয়ও দেখানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি গত ১৩ এপ্রিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন।
ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন