1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
কলাপাড়ায় পিপিআর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দু’শতাধিক ছাগলের মৃত্যু - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news কলাপাড়ায় পিপিআর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দু’শতাধিক ছাগলের মৃত্যু - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কলাপাড়ায় পিপিআর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দু’শতাধিক ছাগলের মৃত্যু

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া
  • প্রকাশিত : সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৭৬ বার পঠিত
Spread the love

এস এম আলমগীর হোসেন,কলাপাড়া

কলাপাড়ায় ভাইরাস জনিত রোগ পিপিআর (পেষ্টি ডেস পেটিটিস ইন রুমিন্যান্টস) এ আক্রান্ত হয়ে অন্ততঃ দুই শতাধিক ছাগলের মৃত্যু হয়েছে। বিজ্ঞানীদের ভাষায়,এটি একটি মরবিলি ভাইরাস। রোগটি ১৯৪৩ সালে প্রথম দেখা যায় ,আইভরিকোষ্টে। সেই দেশে ভাইরাসটিকে কাটা নামে পরিচিত ছিল। চীনে ২০০৭ সালে এবং মরোক্কোতে ২০০৮ সালে এ ভাইরাসটি সনাক্ত হয় । এছাড়া বাংলাদেশে ১৯৯৩ সালে মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলায় রোগটি মহামারি হিসিবে দেখা দেয় এর পর থেকে প্রতি বছর এ রোগের কারনে দেশে ছাগল এবং ভেড়ার মৃত্যুও খবর পাওয়া যায় । খামারীদের অসচেতনতাই এর মৃত্যুর প্রধান কারন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকদের মতে’ বর্ষা মৌসুমে সাধারনত এ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়। গত দু’সপ্তাহে কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অন্ততঃ সহ্রাধিক ছাগল এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মারা গেছে অন্ততঃ দুই শতাধিক ছাগল। এ রোগের প্রধান লক্ষন মুখ থেকে লালা পড়া, সাথে সাথে পাতলা পায়খানা।

এসময় ছাগল কিংবা ভেড়া কোন খাবার গ্রহন করে না। শরীরে এর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী থাকে। তবে এ ভাইরাস ছাগল কিংবা ভেড়া’র বেশী হয়। ভাইরাসটি বাতাসেও ছড়াতে পারে। ফলে রোগাক্রান্ত হবার ৪/৫ দিনের মধ্যে ছাগলটি মারা যায়। ফলে খামারিরা ছাগল নিয়ে পড়েছে বিপাকে।

এ ব্যাপারে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের খামারী মো.আনোয়ার হোসেন জানান, তার খামার থেকে ইতিমধ্যে তিনটি ছাগল মারা গেছে। ছাগল গুলোর মুখ থেকে লালা পড়ে,সাথে পাতলা পায়খানা।

এসময় ছাগল গুলো কোন খাবার গ্রহন কওে না। তার খামারে আরো পাঁচটি ছাগল চরম ভাবে আক্রান্ত। তবে ভালো গুলো অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

একই ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের আবদুল জলিল হাওলাদার জানান, পিপিআর ভাইরাসে তার ৮টি ছাগল মারা গেছে। এ রোগটি সম্পর্কে তার জানা ছিল না।তার খামারের বাকী ছাগল গুলো বিক্রি করে দিয়েছেন।

একই গ্রামের পান্না নামের এক খামারী জানান, ছাগল পালন নিয়ে তার অনীহা সৃষ্টি হয়েছে। রোগাক্রান্ত হলে কোন পরামর্শ যেমন পাওয়া যায় নাা,তেমনি প্রতিষেধকের কোন ব্যবস্থা নাই । পিপিআর ভাইরাসে তার পাঁটি ছাগল মারা গেছে।

উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.শাহআলম জানান, পিপি ভাইরাস দমনে প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে । এটি বাতাসেও ছড়ায়, ফলে বছরে দু’বার এর প্রতিষেধক দেয়া হলে নব্বই ভাগ ছাগল সুরক্ষিত থাকতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন