
দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
কোস্ট গার্ডের উপস্থিতিতে ভোলার লালমোহনের ধলীগৌরনগর ইউনিয়নে জেলে পুনর্বাসনের চাল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ২ হাজার ৭০ জেলে পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির ৫৬ কেজি করে চাল বিতরণ শুরু হয়। সমূদ্রে ৬৫ দিনের মাছ ধরা নিষেজ্ঞার এই সময়ে জেলেদের জন্য বিশেষ ভিজিএফ চাল বিতরণকালে ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক উপজেলা আইসিটি অফিসার মো. রবিউল আলম, কোস্ট গার্ডের লালমোহন কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এম. বদরুল আলম, ইউপি সচিব মো. সিদ্দিকুর রহমান, মৎস্য অফিসের প্রতিনিধি নূরুন নবী উপস্থিত ছিলেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক মো. রবিউল আলম জানান, সমূদ্রগামী জেলেদের নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকার বিকল্প কর্মসংস্থানের অংশ হিসেবে এই চাল বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মেনে আমরা চাল বিতরণ করছি।
এদিকে একই দিনে রমাগঞ্জ ইউনিয়নেও জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করতে দেখা গেছে। সেখানে একজনের নামে বরাদ্দকৃত চাল তিন জনের মাঝে ভাগ করে দিতে দেখা গেছে। শনিবার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে এই চাল বিতরণ করা হয়। তবে সেখানে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাউকেই পাওয়া যায়নি। ইউপি সচিব ও উদ্যোক্তা মিলে চাল বিতরণ করেন। উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অফিসের প্রতিনিধিও। তবে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশ মেনেই তারা এভাবে চাল বিতরণ করছেন বলে জানান। চাল নিয়ে যাওয়ার সময় জেলেরা জানান, তাদের অর্ধেক বস্তায় চাল দিয়ে সেই চাল তিন জনকে ভাগ করে নিতে বলা হয়েছে। বিতরণকৃত এই চাল মার্চ ও এপ্রিল মাসের মাছ ধরা নিষেজ্ঞার সময় বরাদ্দকৃত চাল।
জেলেরা জানান, এই ইউনিয়নে মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞার সময় বরাদ্দকৃত চাল এখনো বিতরণ শেষ করা হয়নি। ঈদের পূর্বে এই চাল বিতরণ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সমন্বয়হীনতার কারণে চাল দেওয়া হয়নি বলে জানান জেলেরা। তার উপর আবার ৬৫ দিনের সামূদ্রিক জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল রয়েছে। সেই চাল এখনো বিতরণ শুরুই হয়নি। এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা চাল বিতরণের সময়ও নিজ এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। একজনের চাল তিনজনকে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, যার যার চাল তাকেই দেওয়া হয়েছে।