1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
“খাল আমাদের প্রাণ”-কলাপাড়ায় খাল দখল-দূষণ রোধে তিন সংগঠনের দাবি - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news “খাল আমাদের প্রাণ”-কলাপাড়ায় খাল দখল-দূষণ রোধে তিন সংগঠনের দাবি - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

“খাল আমাদের প্রাণ”-কলাপাড়ায় খাল দখল-দূষণ রোধে তিন সংগঠনের দাবি

এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭১ বার পঠিত
Spread the love
এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ
সোমবার বিকেলে আন্ধারমানিক নদীর তীর সংলগ্ন এলাকায় “ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)”, “পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন, কলাপাড়া” ও “আমরা কলাপাড়াবাসী” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)” কলাপাড়া উপকূলীয় অঞ্চল সমন্বয়কারী মেজবাহউদ্দিন মাননু বলেন, খাল-নদী বেষ্টিত সাগরঘেষা কলাপাড়া উপজেলার অধিকাংশ মানুষের প্রধান পেশা কৃষি ও মৎস্য শিকার। এই অঞ্চলের কৃষিকাজ, নিত্যদিনের প্রয়োজনীয়তা ও জীবিকার অন্যতম উৎস খালের পানি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে খাল ভরাট, দখল ও দূষণের কারণে মিঠা পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ৬০-এর দশকে জলোচ্ছ্বাস ও লোনা পানির আগ্রাসন ঠেকাতে বেড়িবাঁধ ও সুইসগেট নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে এর বিরূপ প্রভাব দেখা দিয়েছে। খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। একদিকে পলিতে খাল ভরাট, অন্যদিকে জমির মালিকরা সেই জায়গা দখল করে চাষাবাদ, পুকুর ও বসতবাড়ি নির্মাণ করেছেন। ভূমি অফিসের অনিয়ম ও উদাসীনতার কারণে এসব দখলদারিত্ব এখনও চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইতোমধ্যে অন্তত দুই শতাধিক খাল নিশ্চিহ্ন হয়েছে। তহশিল অফিসের অনীহায় ভরাট খালগুলো এখন কৃষিজমি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো সরকারিভাবে মাছ চাষের নামে লিজ দিয়ে সাধারণ মানুষের ব্যবহার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পুনর্খনন প্রকল্পে স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগের মতামত না নেওয়ায় প্রয়োজনীয় খাল পুনর্খনন হয়নি। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না।
আরও বলেন, কুয়াকাটা পৌরসভার লতাচাপলী মৌজার দেড় একর খাস খতিয়ানের একটি খাল নবোদয় হাউজিং নামে একটি প্রতিষ্ঠান ভরাট করে দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখনো সরকারি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন “ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)” কলাপাড়া উপকূলীয় অঞ্চল সমন্বয়কারী মেজবাহউদ্দিন মাননু, “পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন, কলাপাড়া” সমন্বয়কারী নজরুল ইসলাম, “আমরা কলাপাড়াবাসী” সভাপতি নাজমুস সাকিব প্রমুখ।
বক্তারা কলাপাড়া ও কুয়াকাটার খালগুলো রক্ষায় সরকারি কার্যকর পদক্ষেপ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন