
দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
ভোলার চরফ্যাসনে বাড়ি নির্মানের ভ্যাকু দিয়ে মাটি খননে বাধা দিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদাদাবীর অভিযোগ উঠেছে দুলারহাট থানার নীলকল ইউনিয়নের যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শাহাবুদ্দিনসহ তার দলবলের বিরুদ্ধে।বৃহস্পবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের চরনরুল আমিন গ্রামের মুনসির হাট এলাকায় হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় মারধরের শিকার যুবক সজিবকে উদ্ধার করে রাতেই চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন। এঘটনায় গতকাল শুক্রবার হামালার শিকার সজিব বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে দুলারহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।আসামীরা হলেন, প্রতিপক্ষ শাহাবুদ্দিন, রাকিব,আবু মিয়া , রিপন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. সজিব জানান, নীলকমল ইউনিয়নের চর নুরুল আমিন মৌজায় এসএ ১৭৩, ১৭৪ খতিয়ান ও দিয়ারা ২০১ নং খতিয়ানের ওয়ারিশ হিসেবে তার বাবা সেলমি দফাদার ৩২ শতাংশ জমি ভোগদখলে আছেন। ওই খতিয়ানে সেলিম দফাদারের বোন নুরজাহান ও খালেদাসহ অপর ওয়ারিশরা প্রতিবেশী তোফাজ্জল মেম্বারের ছেলে মিলন ও জসিমের কাছে ১৪৮ জমি খরিদ করেন। অবিবাহিত থাকা অবস্থায় খরিদা মালিক জসিম মারা যায়। পরে তার ভাই মিলন ও শাহাবুদ্দিন মৃত ভাইয়ের হিস্যা অংশ পাওনা হয়ে নিজেদের প্রভাবখাটিয়ে ইউনিয়ন যুবদল নেতার স্বজন হওয়ার সুযোগে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর যুবদল নেতা শাহাবুদ্দিনের সহযোগিতায় মিলন ও শাহাবুদ্দিন সেলিম দফাদারের সড়ক সংলগ্ন মূল্যবান ৩২ শতাংশ জমি নিয়ে নিজেরদের মালিকানাদাবী করে বিরোধ শুরু করেন।
এনিয়ে স্থানীয় ভাবে একাধিক শালিশ হয়। ওই শালিশে তারা তাদের দাবী করা জমি থেকে বিতারিত হন। পরে সেলিম দফাদার ওই জমিতে আমান ধান রোপন করে ভোগদখল শুরু করেন। চলতি মৌসুমে ধান কাটা শেষ হলে তার বাড়ি নির্মানের জন্য ওই জমিতে ভ্যাকু দিয়ে মাটি খনন কাজ শুরু করেন। কিন্ত তাদের প্রতিপক্ষরা স্থানীয় যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শাহাবুদ্দিনের সঙ্গে আতাঁত করেন তাদের বাড়ি নির্মানের খনন কাজে বাধা দিয়ে ২ লাখ টাকা দাবী করেন। এনিয়ে সজিবের সাথে তর্কে জড়ায়। পড়ে যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শাহাবুদ্দিন প্রতিপক্ষ মিলন ও খরিদা ভুমি মালিক শাহাবুদ্দিনের সাথে দলবদ্ধ হয় তার ওপর আর্তকিত হামলা চালিয়ে মারধর করে গুরুতর জখম করেন।
যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক শাহাবুদ্দিন জানান, আমার বিরুদ্ধে চাঁদাদাবীর বিষয়টি সঠিক নয়। তাদের উভয় পক্ষের জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো সেটা আমি শুনেছি।
দুলারহাট থানার ওসি আরিফ ইফতেখার জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।