
আবদুল মান্নান তামিম
ভোলার তজুমদ্দিনে রহস্যজনক নিখোঁজের ৪ দিন পর বাক-প্রতিবন্ধী কবির (৩৫) লাশ বাড়ীর পাশে পরিত্যাক্ত পুকুরে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত লাশের হাতে, বুকে ও চোখে মারাত্মক জখমের চিহ্ন রয়েছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) সকালে তজুমদ্দিন থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে পোস্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য ভোলা মর্গে পাঠিয়েছেন। গত মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকালে শম্ভুপুর বাংলাবাজার এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হন।
নিহত মো. কবির (৩৫) তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়ন ৭নম্বর ওয়ার্ডের রতন ডুবাই বাড়ির মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে। বাকপ্রতিবন্ধী কবির ৪ সন্তানের জনক। তিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
নিহতের মা রোকেয়া বেগম বলেন,মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে তার ছেলে নিখোঁজ রয়েছে। এর আগে সোমবার দুইটার দিকে কবিরের চাচা খালেকের ছেলে রিয়াজ,রত্তন ডুবাইর ছেলে রাসেল ও সাহে আলমের ছেলে আলাউদ্দিন মিলে ঘরের পেছনে কবিরকে ডেকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে মারার চেষ্টা করে, পরে আমার ছেলে ভয় পেয়ে দৌড়ে ছুটে এসে আমাকে জানায়, তার পরের দিন সন্ধ্যা থেকে কবিরের কোনো খোজ পাওয়া যায়নি।
নিহত কবিরের স্ত্রী সুমা বেগম বলেন,দুই দিন খোজ করে না পেয়ে বৃহস্পতিবার আমরা থানায় জিডি করি,আজ শুক্রবার সকালে পুকুরে তার লাশ পাওয়া যায়। আমার ৪টা ছেলে মেয়ে নিয়ে কার কাছে যাবো। কারা আমার বোবা স্বামীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাব্বত খান জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশের টিম পুকুরে ভাসমান লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। উদ্ধারকৃত লাশের শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।