
দুমকি(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর দুমকিতে বেআইনী কাগজপত্রে পেশীশক্তি ও অর্থবিত্তের প্রভাবে নিরীহ পরিবারের ৬৭শতাংশ সম্পত্তি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। সাবেক সেনাকর্মকর্তা (মেজর) জাকির হোসেনের নেতৃত্বে হাবিবুর রহমান মৃধা, জলিল মৃধা, মাও. ইউসুফসহ এলাকার একটি প্রভাবশালীচক্র ওই সম্পত্তির প্রকৃত ওয়ারিশগণের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ও সাজানো মামলা জড়িয়ে হয়রানী এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে সম্পত্তি দখলচেষ্টায় লিপ্ত আছেন।
বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় প্রেসক্লাব দুমকি’র সম্মেলন কক্ষে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত ওয়ারিশগণের পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হারুন অর রশিদ জোমাদ্দার লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেছেন।
লিখিত বক্তব্যে জানাযায়, উপজেলার দুমকি মৌজার এস এ ২৬৩,২৬৫,৫৯৮,৫৯৯,৬০০,৬০৩ ও ৬০৪ নং খতিয়ান ভুক্ত ৭১৭, ৭৪০, ৭৪১ ৭৪৩,৭৪৭,৭৪৮ ও ৭৬২ দাগের রেকর্ডিও মালিক সতিশচন্দ্র ভুঁইমালির কাছ থেকে ১৯৭২ সালে ৬৯৪৩ নং কবলা দলিলমূলে ৬৭ শতাংশ জমির ক্রয় করেন একই গ্রামের মৃত ময়দালী চৌকিদার। তার মৃত্যুতে ওয়ারিশগন উক্ত জমির নির্ধারিত রাজস্ব পরিশোধ করে ভোগদখল করে আসছেন। যার ২০২০-২১ সালের ৮৭৩ নং নামজারী সহ জমাখারিজ কেসের মাধ্যমে ১৩২৭ নং নতুন খতিয়ান সৃজন করে নিজেদের নামে রেকর্ড সংশোধনও করা হয়েছে।
এসব সম্পত্তি দেখাশুনা, রক্ষণাবেক্ষণ, বেচা-বিক্রির স্বার্থে ময়দালী চৌকিদারের ওয়ারিশগন গতবছরের ২৪ডিসেম্বর ১১৮৮ নং অফেরতযোগ্য পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিলের মাধ্যমে তাকে (হারুন অর রশিদ জোমাদ্দার) ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন।
কোন রকম দলিল দস্তাবেজ কিম্বা সত্ত্ব ছাড়াই এলাকার চিহ্নিত একটি প্রভাবশালীচক্র জবরদখলের অপচেষ্টা হিসেবে গেল বছর বাড়ি নির্মান কাজ শুরু করে। আদালতের দ্বারস্থ হলে অবৈধ দখলদারদের নির্মাণ কাজে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেসহ সম্পত্তির প্রকৃত ওয়ারিশগণকে মিথ্যা মামলা দিয়ে নানাভাবে হয়রানী শুরু করেছে। অবৈধ দখলদারদের মধ্যে সাবেক সেনাবাহিনী কর্মকর্তা (মেজর) জাকির হোসেন প্রভাব খাটিয়ে পটুয়াখালী ক্যাম্প থেকে সেনা সদস্যদের পাঠিয়ে হয়রানী করছে।
প্রভাব খাটানোর অভিযোগ অস্বীকার করে অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন উল্টো অভিযোগ করে বলেন, গত ৩দিন আগের রাতে তার বসতবাড়ির পাকঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় হয়েছে। বিষয়টি তিনি থানা পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছেন এবং আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। তিনি কোন প্রভাব খাটাননি। জমি জমার বিষয় আদালতে মামলা বিচারাধীন, আদালতের রায় যাই হোক তিনি মেনে নিবেন।
#