
দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি॥
পটুয়াখালীর দুমকিতে জমির ভাগ বাটোয়ারার বিরোধে রান্নাঘর তোলায় বাঁধা দেয়ায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রী-সন্তানকে পিটিয়ে জখম করেছে ভাসুরসহ প্রতিপক্ষরা। গুরুতর জখম গৃহ বধু তানজিলা (৩৫), মেয়ে মাহিমা (১১) ও আট বছরের ছেলে শফিউল্লাহ (৮)কে উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তানজিলার স্বামী শহিদুল ইসলাম হাওলাদার (৩৯) বাদি হয়ে প্রতিপক্ষের ৮ জনকে অভিযুক্ত করে গত ১৭ অক্টোবর পটুয়াখালীর চিফজুডিশিয়াল মেজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। দুমকি থানার ওসিকে আগামী ৩০দিনের মধ্যে অভিযোগ তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চর গরবদি গ্রামের মৃত রুস্তুম আলী হাওলাদারের ছেলে শহিদুলের সাথে বড় ভাই হাবিবুর রহমানের জমির ভাগ-বন্টনের পূর্ব বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি বিরোধীয় সম্পত্তি দখলের হীন উদ্দেশ্যে শহিদুলের বসত: ঘর ঠেকিয়ে বড় ভাই হাবিব লোকজন নিয়ে জোড়পূর্বক রান্নাঘর তুলে ফেলে। এতে বাঁধা দেয়ায় ভাসুর হাবিব হাওলাদারের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের লোকজন বসত:ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে ছোট ভাইয়ের বৌ তানিয়া, ভায়ের নাবালিকা মেয়ে মাহিমা ও ছেলে শফিউল্লাহকে বেধরক পিটিয়ে জখম করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুটে নেয়। পরে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে স্বজনরা দুমকি উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় আহতের স্বামী শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বাদি হয়ে প্রতিপক্ষের ৮জনকে অভিযুক্ত করে গত ১৭ অক্টোবর পটুয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল মেজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে। বিজ্ঞ আদালত দুমকি থানার ওসিকে ৩০দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, মামলাটি এজাহার ভুক্ত করত: এস আই নুরুজ্জান কে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হবে।
#