1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
নিয়োগ জালিয়াতি, ফেঁসে যাচ্ছে চরফ্যাসনের পিয়ন ফিরোজ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news নিয়োগ জালিয়াতি, ফেঁসে যাচ্ছে চরফ্যাসনের পিয়ন ফিরোজ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন লালমোহনের হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজে সবক ও দোয়া- মিলাদ অনুষ্ঠিত। মনপুরায় জাল পাতা নিয়ে সংঘর্ষ, ১০ জেলে আহত কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মানববন্ধন লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিক নিহত কালাইয়া বিএনপির সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে জমি দখল ও বসতবাড়িতে হামলার অভিযোগ জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলন যুবদল সম্পাদক এমপি নয়ন তজুমদ্দিনে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ বাউফলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

নিয়োগ জালিয়াতি, ফেঁসে যাচ্ছে চরফ্যাসনের পিয়ন ফিরোজ

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩
  • ৪০৩ বার পঠিত
Spread the love

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

মিথ্যা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এমএলএসএস (পিয়ন) পদে চাকরি করছেন মো. ফিরোজ নামের এক কর্মচারি। ভোলা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হয়েও ভূয়া কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা দেখিয়ে তিনি এ পদে চাকরি নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক আইনজীবী।  বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আসলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
অ্যাড. নুরে আলম নোমান সালমান লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে এমএলএসএস পদে লোক নিয়োগের বিজপ্তি দেওয়া হয়েছিল। শুধুমাত্র ঢাকা জেলার বাসিন্দাদের কাছ থেকে এ পদে আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। অথচ মো. ফিরোজ ভিন্ন জেলা ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. ইউছুপ, মায়ের নাম ময়ফুল। স্থায়ী ঠিকানা গ্রাম আমিনাবাদ, ওয়ার্ড নং ৫, ডাকঘর আমিনাবাদ, উপজেলা চরফ্যাসন, জেলা ভোলা। শুধু তা-ই নয় তার বাপ-দাদার স্থায়ী ঠিকানাও ভোলা জেলায়।
ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ফিরোজ ভোলা জেলার বাসিন্দা হওয়ার কারণে প্রথমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়নি। পরে তিনি ঢাকার জনৈক অহিদউল্লাহকে ভূয়া মামা পরিচয় দিয়ে ও তার পালক সন্তান দেখিয়ে আবার কাগজপত্র জমা দেন। এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এমএলএসএস পদে চাকরিতে  নিয়োগ লাভ করেন।
এ পদের চাকরিতে দীর্ঘ অর্ধযুগ ধরে বহাল তবিয়তে থাকাকালীন তার নানা পরিবর্তন লক্ষ্যনীয় হয়ে ওঠে। সামান্য এমএলএসএস পদে চাকরিতে তার বেতনের আয়ের সাথে ব্যয়ের কোন সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায় না। কোটি টাকা ব্যায়ে জমি ক্রয় ও ইমারত নির্মাণ নিয়ে তাই নানা প্রশ্ন ওঠে। ইতোমধ্যে তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জে ৫ কাঠা জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মাণসহ চরফ্যাসন পৌর এলাকায় উচ্চমূল্যে ৬ কাঠা দামী জমি কিনে ইমারত নির্মান করেছেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
মো. ফিরোজ দাখিল ও আলীম পাশ করেন চরফ্যাসন আমিনাবাদের মাদ্রাসা থেকে। ফিরোজের অন্য সব ভাইবোন স্থায়ীভাবে ভোলার চরফ্যাসনের আমিনাবাদ গ্রামে বসবাস করেন। ফিরোজের নামে চরফ্যাসন উপজেলার ৫ নং আমিনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নাগরিক সনদের কপিও রয়েছে। উপরোক্ত তথ্যদিতে প্রমাণিত হয় যে, ফিরোজ ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার আমিনাবাদ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। ফিরোজ তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ হিসাবেও পরিচয় দিয়ে থাকেন। তার এসব প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড ও  মিথ্যা-জালজালিয়াতির তথ্য দিয়ে চাকরিতে বহাল থাকায় রাষ্ট্রের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে। যা ফৌজদারি অপরাধের শামিল বলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়।
এ ব্যাপারে জানতে ঢাকা জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ অভিযোগটি আমার নজরে আসেনি। তিনি খবরটি প্রকাশ করার কথা জানান। অভিযোগপত্রটি তার অফিসিয়াল ইমেইলে দেয়ার কথাও বলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন