
দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন ভোলার লালমোহনের সন্তান পবিপ্রবি কর্মকর্তা রাহাত মাহমুদ। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যাগ্রোনমি এন্ড হাওর এগ্রিকালচার বিভাগের প্রথিতযশা কৃষি বিজ্ঞানী ও কৃষি অনুষদ এর ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি (ইধহমষধফবংয অপধফবসু ড়ভ ঝপরবহপবং)’র ফেলো/স্কলার হিসেবে এই পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। রাহাত মাহমুদ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(পবিপ্রবি) এগ্রিকালচারাল ফার্ম ডিভিশনের খামার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার পিএইচডি অভিসন্দর্ভের শিরোনাম ছিল ‘কালেকশন এন্ড ক্যারেকটারাইজেশন অব লোকাল রাইস কালটিভারস্ অব সিলেট রিজিওন’।
ড. রাহাত মাহমুদ লালমোহন সরকারী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে স্টারমার্কসহ প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করেন এবং বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদে। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এমএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। গত ১৭ জুন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট এর ৪২ তম অধিবেশনে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
পিএইচডি গবেষণা ছাড়াও ধান চাষ ও উৎপাদন প্রযুক্তির ওপর করা রাহাত মাহমুদের ৪ টি গবেষণা নিবন্ধ আন্তর্জাতিক কয়েকটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ‘লোকাল রাইস কালটিভারস্’ নিয়ে পিএইচডি করা ড. রাহাত সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চান।
ড. রাহাত মাহমুদ লালমোহন উপজেলার দ্বীপশিখা মাধ্যমিক শিক্ষালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল গফুর হাওলাদার ও মরহুমা খুরশিদা বেগম এর প্রথম সন্তান। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক। ইতোপূর্বে তিনি দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টার, প্রথম আলোর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।