
দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
পটুয়াখালীর বাউফলে পূর্ববিরোধের জেরে হামলা চালিয়ে অন্ডকোষ চিপে ও পিটিয়ে আহত আহত করা হয়েছে ওমর ফারুক (৩০) নামে এক যুবককে। তাকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলার নিমদী গ্রামে আজ শনিবার সকালে ঘটে এ ঘটনা।
আহতের স্ত্রী ফাহিমা বেগম জানায়, ওমর ফারুকের বাবা স্বপন তালুকদার গংদের সঙ্গে পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল তারই চাচা মো. রফিকের। এ নিয়ে মিমাংসায় যেতে শালিস বৈঠকসহ কোটে চলমান রয়েছে মামলাও। কিন্তু সবকিছু উপেক্ষা করে নানাভাবে তাদেরকে হয়রানি করছিল রফিক। সকালে তাদের বসতঘরের সামনে পরিকল্পিতভাবে ময়লা আবর্জনা স্তুপ করে রাখে রফিকের পরিবারের লোকজন। এতেই বাধে বিপন্তি। প্রতিবাদ করায় রফিক তালুকদার (৫৫), স্ত্রী পারভিন বেগম (৩৮) ও তার ছেলে কামরুলসহ (২০) ৬-৭ জন বহিরাগত মিলে দেশিয় অস্ত্র, লোহার পাইপ, লাঠিসোটা নিয়ে বসতঘরে প্রবেশ করে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়। পিটিয়ে ও অন্ডকোষ চিপে আহত করে ওমর ফারুককে। এগিয়ে এলে ওমর ফারুকের মা হাসিনা বেগম (৪২), ছোট ভাই তাফিনকেও (১২) কিলঘুসি মেরে ও পিটিয়ে আহত করা হয়। এ সময় বাদ যায়নি ওমর ফারুকের কোলে থাকা এক বছর বয়সী শিশু অজিহা। থাপ্পর মেরে মাটিতে ফেলে দেয়া হয় শিশু অজিহাকেও। পরে ওমর ফারুককে তার স্বজনরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় সেনাক্যাম্পে ও থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছেন ওমর ফারুক।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত রফিক তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেস্টায় তাকে পাওয়া যায়নি।
তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেয়া হবে উল্লেখ করে ‘অভিযোগ পেয়েছি’ জানিয়েছেন বাউফল থানার এসআই বশার।