1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
বাউফলে ছাড়পত্রের দাবিতে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news বাউফলে ছাড়পত্রের দাবিতে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বাউফলে ছাড়পত্রের দাবিতে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল , বাউফল 
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫
  • ১০৬ বার পঠিত
Spread the love
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল , বাউফল 
পটুয়াখালীর বাউফলে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারের অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে উপজেলার উত্তর দাসপাড়া দাখিল মাদ্রাসায় এক অভূতপূর্ব বিক্ষোভে অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্লাস বর্জন করে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করে তারা। অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত সুপার নজীর উদ্দীন মৃধা শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, সরকারি বরাদ্দের অর্থ এবং ক্লাসরুমে বৈদ্যুতিক ফ্যান বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং সুপারের অপসারণসহ বিচারের দাবি জানান। সহকারী সুপার মাসুম বিল্লাহ, শিক্ষক মিজানুর রহমান ও সাদিয়া হাবিবা বলেন, “সুপার নজীর আহম্মেদ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ অযোগ্য। তিনি উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের হয়রানি করছেন।” শিক্ষার্থীরা জানায়, সুপার ৫০০ টাকা করে নিয়ে উপবৃত্তির তালিকায় নাম না দিয়ে তাদের ঠকিয়েছেন। এমনকি ক্লাসরুমে ফ্যান চালাতে ২০ টাকা করে আদায় করেন। ৯ম শ্রেণির ছাত্র আরাফাত, ১০ম শ্রেণির রাবেয়া, নুসরাত, রুপা এবং ৭ম শ্রেণির আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা এখন ছাড়পত্র নিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যেতে চাই। এক বছর নষ্ট হলেও সই।” তারা আরও অভিযোগ করেন, সুপার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তিতে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, অথচ তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে সুপার নজীর উদ্দিন মৃধার সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি মন্তব্য দিতে রাজি হননি।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন