1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
বাউফলে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রকে নির্মম নির্যাতন, শিক্ষক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news বাউফলে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রকে নির্মম নির্যাতন, শিক্ষক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বাউফলে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রকে নির্মম নির্যাতন, শিক্ষক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত

তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল ,বাউফল 
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৯ বার পঠিত
Spread the love
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল ,বাউফল 
পটুয়াখালীর বাউফলের ইকরা ইসলামিক মডেল একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আদিল (৮) কে নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনা জানাজানি হলে, আজ (১৭ নভেম্বর) ৫দিন পরে আদিলকে দেখতে যান  শিক্ষকরা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালে এক শিক্ষার্থী জোরে হেসে উঠলে সেই দেখে আদিলও হাসে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক বাইজিদুর রহমান প্রথমে লাঠি দিয়ে তাকে আঘাত করেন। পরে আদিলের মাথা ধরে ছেলেদের টেবিল থেকে মেয়েদের টেবিলের ওপর আছড়ে ফেলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
বিকেলে আদিলকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানকার চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, শিশুটির দুই কানে ক্ষত হয়েছে এবং ডান কানের পর্দা ছিঁড়ে গেছে।
শিশুটির মা লিমা আক্তার বলেন, “দুপুরে খাবার খেতে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারি। পরে বুঝতে পারি শিক্ষক তাকে মারধর করেছে। বরিশালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা বলেন তার কানের অবস্থা গুরুতর।”  স্কুলটির পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক অভিভাবক। তারা জানান, প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি কোনো নতুন ঘটনা নয়। শিক্ষকরা বেত্রাঘাত না করলেও প্রায়ই হাতে মারধর করেন। এছাড়া ভবনের কক্ষগুলো স্যাঁতস্যাঁতে, গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলাসহ রান্নার সরঞ্জাম শ্রেণিকক্ষেই রাখা, নেই অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। শ্রেণিকক্ষের লাগোয়া টয়লেটের দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হয়। পাশেই থাকা একটি ডেন্টাল ক্লিনিক থেকে বর্জ্য বাতাসে ছড়িয়ে আরও ঝুঁকি তৈরি করছে। সংকীর্ণ সিঁড়ির কারণে জরুরি অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বের হওয়াও কঠিন।
অভিযুক্ত শিক্ষক বাইজিদুর রহমান বলেন,“মেডিকেল রিপোর্ট তো মিথ্যা নয়। তবে আমি তাকে এতটা মারিনি। হয়তো শারীরিক দুর্বলতার কারণে এমন হতে পারে।” ইকরা একাডেমির পরিচালক মুশফিকুর রহমান বলেন, “ঘটনা যেভাবেই হোক ঘটেছে। বিদ্যালয়ের সুনাম রক্ষায় তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বলেন, “বাণিজ্যিক বা আবাসিক ভবনে স্কুল পরিচালনা বেআইনি। দ্রুত তদন্ত করে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন