
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল, বাউফল
পটুয়াখালীর বাউফলের রাতের বেলা রাস্তায় আলো দেওয়ার সৌর বিদ্যুতের লাইট গুলি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে দেখার কেউ নেই । সরকারের বরাদ্দকৃত এই অর্থের লাইট গুলি সামান্য মেরামত করলেই ঠিক হয়ে যায়। কোন কোন লাইটে হয় একটু তার ছিড়ে আছে না হয় দুই একটি লাইটের নাট বল্টু ছিড়ে জুলে পরেছে। সামান্য একটু রক্ষণাবেক্ষণ হলেই আলোকিত হয় গ্রামের আলি গলিগুলো।নিরাপদে হাঁটাচলা করতে পারেন পথচারীরা। অপরাধ দমনে রাতে রাস্তা, বাজার, স্কুল, মসজিদ, ও জনবহুল জায়গায় আলো থাকলে চুরি,ডাকাতি,অপরাধ গুলো কমে যায়। বাউফলের ১৫ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় ৭০০ টির মত সৌর বিদ্যুতের লাইট আছে যার অধিকাংশই নষ্ট হয়ে আছে। সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় কালাইয়া বন্দরের বড় পুকুর পাড়ে সরকারি ভাবে ১২ টি লাইট স্থাপন করা হয়েছে কিন্তু তার একটি লাইট ও বর্তমানে ভালো নাই। দাশপাড়া ইউনিয়নের খেজুরবারিয়া সোনাবরু এলাকায় রাস্তার ১ টি সৌর লাইটের নাট বল্টু ছিরে জুলে পরেছে ও লাইটি নস্ট হয়ে আছে দীর্ঘদিন। এমন নস্ট হওয়া সৌর বিদ্যুতের দৃশ্য কালিশুরি, আদাবারিয়া, নাওমালা,কাছিপারা, ধুলিয়া, কেসবপুর সহ পুরো বাউফল জুড়ে। নেই স্থানীয় প্রশাসনের মেরামতের উদ্যোগ। সৌর লাইট থাকলে গ্রাম এলাকা আধুনিক ও উন্নত মনে হয়। কিন্তু এই আধুনিক ও উন্নত সৌর আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছে বাউফলের জনগণ।
সূর্যের আলো থেকেই সৌর বিদ্যুতের চার্জ হয়, তাই বিদ্যুৎ বিল দিতে হয় না।লোডশেডিংয়ের ঝামেলা নেই মেইন লাইনের ওপর নির্ভর করতে হয় না, ফলে বিদ্যুৎ গেলে আলো নিভে যায় না।একবার বসানোর পর কয়েক বছর টিকে যায়, শুধু মাঝে মাঝে ব্যাটারি বা প্যানেল পরিবর্তন করতে হয়।সামান্য একটু রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত করলেই সৌর বিদ্যুৎতের লাইট গুলো চলে বছরের পর বছর।
বাউফল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা মোঃ মোস্তফা মায়দুল মোর্শেদ মুরাদ বলেন রক্ষণাবেক্ষণ এর জন্য সরকারের কোন বরাদ্দ নেই সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বরাদ্দ অনুমোদিত হলে রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ সম্পন্ন করা হবে।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন সোলার লাইটের বিষয়ে বরাদ্দের নেই বরাদ্দ আসলে জনগণের উপকারী সৌর বিদ্যুতের লাইট গুলো মেরামতের ব্যাবস্থা নেয়া হবে।