
তৌহিদ হোসেন উজ্জ্বল , বাউফল
পটুয়াখালীর বাউফল কালিশুরী মহাসড়ক আলোকি নদীতে দেবে বীলিন হয়ে যাচ্ছে, দ্রুত ব্যাবস্থা না নিলে উওর বাউফলের কয়েকটি ইউনিয়ন সহ বরিশালের সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম। সরকটির মাঝের আংশ দিয়ে দেবে যাওয়ার কারনে যে কোন সময়ে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায় গত ৬ – ৭ মাস আগে বাউফলের সূর্যমনি ইউনিয়নের সানেশর এলাকায় মৃধা বাড়ি ও খান বাড়ির সামনের মহাসড়কটির কিছু অংশ দেবে গেলে বর্তমানে মহাসড়কটির সিংহভাগ দেবে গেছে।সরকটির মাজের অংশ দিয়ে দেবে যাওয়ার কারনে দুর্ঘটনা ঠেকাতে এলাকার লোকজন বাশের লাঠির সাথে লাল রংএর কাপর বেধে দিয়েছেন।
প্রায় ৬০০ ফুট দৈর্ঘের মত যায়গা হঠাৎ করে দেবে গেলে ঐ এলাকায় আতংক ছরিয়ে পরেছে। যুকতি রয়েছে ১০ টির মত ঘর বাড়ি। এর আগে সরকটির কিছু অংশ দেবে গেলে নামমাত্র পাইলিং করার পরে আবারও সরকটির বৃহৎ অংশ দেবে গেছে।
২০১৮ – ২০১৯ইং অর্থবছরে সরক ও জনপদ বিভাগ বাউফল – কালিশুরী-ডিসি রোড- বরিশাল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যায়ে সরকটি পূর্ণ নির্মান করে।কালিশুরী ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্র মোঃ সাইম হোসেন বলেন প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে এই সরক দিয়ে এবং আমারা কলেজে যাওয়ার সময় দেবে যাওয়া অংশ দিয়ে অতিক্রমের সময় ভয়ে থাকতে হয় কখন জানি দেবে যাওয়া গর্তে পড়ে যাই।
সূর্যমনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন বাচ্চু বলেন সরক ও জনপদ বিভাগের নির্মিত সরক দিয়ে প্রতিদিন বরিশাল, কালিশুরী, কেশবপুর, ধুলিয়া লঞ্চ ঘাট দিয়ে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে থাকে তাই দ্রুত মেরামত কিংবা আলোকি নদীতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন ঠেকানো না করা হলে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যাবে।
সরক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহি প্রকৌশলী আতিক উল্লাহ বলেন সরকটির ঐ স্থানে নদী ভাঙ্গান প্রবনতা রয়েছে তাই আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করে বলেছি দ্রুত ব্যাবস্থা নিতে এবং আমাদের অংশ টুকু দ্রুততম সময়ে মেরামত করে দিব। ##