
এইচ.এম.এরশাদ.বোরহানউদ্দিন
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের চর শরিফাবাজ নামক চরে মহিষ খামারি রেজাউলের মহিষকে পিটিয়ে হত্যা, ১৫ টি মহিষ লুট ও মহিষ খামারীদের উচুকিল্লা বাসা ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী মহিষ খামারি রেজাউল এ অভিযোগ করেন। একই ইউনিয়নের সবুজ বদ্দার ও বজলুসহ অজ্ঞাত ২৫ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন মহিষ খামারিরা।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রথম ঘটনা ও রাতে দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মহিষ খামারি রেজাউল অভিযোগ করে বলেন, চর শরিফাবাজ নামক চরে তিনিসহ মোট ১৫ জন মিলে প্রায় ৩ শত মহিষ নিয়ে মহিষের খামার গড়ে তোলেন। চরেই করেন মহিষ লালনপালন। সেখানে রয়েছে তাদের মহিষ রাখার ও থাকার উচুকিল্লা ঘর। পাশেই রয়েছে তরমুজ চাষিদের তরমুজের জমি। বৃহস্পতিবার সকালে দুটি মহিষ তরমুজ চাষিদের জমিতে প্রবেশ করে তরমুজ খাওয়ার অপবাদে মা মহিষসহ দুটি মহিষকে পিটিয়ে গুরুতর আঘাত করে। এতে মা মহিষের পেটে থাকা বাচ্চা মৃত্যু হয়ে ঘটনাস্থলেই গর্ভপাত করেন (বাচ্চা মহিষকে পিটিয়ে হত্যা)।
বিষয়টি নিয়ে তরমুজ চাষি ও মহিষ খামারিদের মধ্যে মারামারির ঘটনাঘটে। দুই পক্ষের লোকজন আহত হয়।
এঘটনাকে কেন্দ্রকরে বৃহস্পতিবার রাতে চলে মহিষ খামারিদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতন। ১৫ টি মহিষ লুটপাটসহ হামলা ও মহিষ খামারিদের উচুকিল্লা বাসা ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। একইসাথে নয়নের খালের ঘাটে থাকা মহিষ খামারিদের জালসহ নৌকা নিয়ে যায় উল্লেখিত তরমুজ চাষিদের ভাড়া করা হামলাকারী ও লুটপাট কারিরা। এঘটনায় মহিষ খামারিদের পুরো পরিবারসহ গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সাকিরভিটা বাজার এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী মহিষ খামারিরাসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
এদিকে সবুজ বদ্দার ও বজলুর কাছে জানতে চাইলে তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি তবে তরমুজ চাষিদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, তাদের উপর হামলা করেছে মহিষ খামারিরা।
বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান জানান, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।