
এইচ এম এরশাদ, বোরহানউদ্দিন
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আলী সওদাগরের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে ক্ষান্ত হয়নি প্রতিপক্ষরা। ধর্ষণের চেষ্টা ও চাদাবজীসহ চুরির মামলায় বিজ্ঞ আদালত থেকে মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে খালাস(মুক্তি) পেলেও ফের হয়রানি মুলক মামলার আতংকে রয়েছে মোহাম্মদ আলী সওদাগরের পরিবার। একই এলাকার মজিবল হক গংদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী সওদাগর।
বৃহস্পতিবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়। মোহাম্মদ আলী সওদাগর সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ একই এলাকার মজিবল হকের সাথে দীর্ঘ ২০ বছর যাবত জমি নিয়ে বিরোধ চলমান রয়েছে। ওই বিরোধের জেরে তার বিরুদ্ধে ২০১০ সালে মজিবল হক বাদী হয়ে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন, ২০১৫ সালে মজিবল হকের স্ত্রী ফিরোজা বেগমকে বাদী বানিয়ে একটি চুরি মামলা ও ২০০৫ সালে ফিরোজা বেগমকে বাদী বানিয়ে একটি ধর্ষণের চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। যাহা ওই মামলা গুলো ভোলার বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে খালাস (মুক্তি) মেলে মোহাম্মদ আলী সওদাগর গংদের।
একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়েও ক্ষান্ত হয়নি প্রতিপক্ষ মজিবল হক গংরা। এছাড়াও জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দেওয়ানিমোকদ্দমা চলমান রয়েছে ভোলার বিজ্ঞ আদালতে। মোহাম্মদ আলী সওদাগর গংদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ফের নাটকীয় মামলা দিয়ে হয়রানি কারা চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে প্রতিপক্ষ মজিবল হক গংরা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, তার প্রতিপক্ষ মজিবল হক গংরা হয়রানি মুলক মামলা দায়ের করতে গত (৪ই মার্চ ২০২৫ ইং) রোজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রতিপক্ষ মজিবল হকের বাড়িতে প্রেট্রোল ঢেলে তার নিজ শরীরে আগুন লাগিয়ে বাম হাতের কিছু অংশ পুড়িয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে নতুন করে নাটকীয় মামলার চেষ্টা করেন প্রতিপক্ষ মজিবল হক গংরা।
এতে ফের মামলা আতংকে রয়েছে মোহাম্মদ আলী সওদাগরের পরিবার। মামলাবাজ মজিবল হক গংদের হয়রানি থেকে বাঁচতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছেন ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী সওদাগরসহ তার পরিবার।
এদিকে মোহাম্মদ আলী সওদাগরের বিরুদ্ধে মজিবল হকের শরিরে প্রেট্রোল ঢেলে আগু লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন আহত মুজিবুল হক। বর্তমানে মুজিবুল হক চিকিৎসারত রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান জানান, অভিযোগ প্রাপ্তির সাপেক্ষে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।