1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
মালচিং পদ্ধতিতে রঙ-বিরঙের তরমুজ চাষে দুই বন্ধুর সাফল্য - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news মালচিং পদ্ধতিতে রঙ-বিরঙের তরমুজ চাষে দুই বন্ধুর সাফল্য - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মালচিং পদ্ধতিতে রঙ-বিরঙের তরমুজ চাষে দুই বন্ধুর সাফল্য

জাহিদ দুলাল
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১ জুন, ২০২৩
  • ১৭৯ বার পঠিত
Spread the love

জাহিদ দুলাল, লালমোহন 

রঙ-বিরঙের তরমুজ চাষে দুই বন্ধুর বাজিমাত। শখের বশে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন দুই বন্ধু। এখন তাদের ক্ষেতের মাচায় ঝুলছে তিন রঙের তরমুজ। যেখানে রয়েছে- হলুদ, কালো এবং সবুজ রঙের তরমুজ। যেগুলোর জাত হচ্ছে- বুলেট কিং, গোল্ডেন ক্লাউন ও বিগ বাইট। ওই দুই বন্ধু মো. রাকিব ও মো. সুমন ভোলার লালমোহনের কালমা ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী এলাকার বাসিন্দা। তারা দুইজনই গ্রাজুয়েশন শেষ করেছেন।
জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে থেকে ঢাকা থেকে তরমুজ বীজ এনে প্রায় ১০ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ শুরু করেন। প্রথমবার আবহাওয়ার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। তবুও হাল ছাড়েননি রাকিব ও সুমন। এ বছর আবারো বীজ রোপণ করেন। এবার তাদের ক্ষেতে ফলন ভালো হয়েছে। এখন ক্ষেতের মাচাগুলোতে ঝুলছে তরমুজ। যা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুরো পাকবে।

ওই দুই বন্ধুর একজন মো. রাকিব। তিনি বলেন, শখ করেই এই তরমুজ চাষের চিন্তা মাথায় আসে। এরপর এলাকার বন্ধু সুমনের সঙ্গে বিষয়টি পরামর্শ করে দুইজনে মিলে ঢাকা থেকে বীজ সংগ্রহ করি। তারপর আমাদের বাড়ির পিছনের জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে চাষ শুরু করি। প্রথমবার আবহাওয়ার কারণে ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। তবে এ বছর সবকিছু ঠিক থাকায় ক্ষেতে ফলন অনেক ভালো। আশা করছি এ বছর ভালো লাভবান হবো।
আরেক বন্ধু মো. সুমন জানান, ৩৫ দিনের মধ্যে গাছগুলোতে ফলন এসে পড়ে। পরিপূর্ণ পাকতে সময় লাগে প্রায় ৬০ দিন। গড়ে প্রতিটি তরমুজ আড়াই কেজি ওজন হয়। আর প্রতি কেজি তরমুজের বাজারে পাইকারী মূল্য ৭৫ টাকা এবং খুচরা একশত টাকা। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের ক্ষেতের তরমুজগুলো বিক্রি শুরু করতে পারবো। এ তরমুজ চাষে প্রায় ২০ হাজার টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। আশা করছি; এগুলো বিক্রি করে খরচ বাদে এ বছর অর্ধলক্ষ টাকার মতো লাভ হবে।

এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু হাসনাইন বলেন, অফ সিজনের তরমুজের অনেক দাম। এতে করে একটু কষ্ট করলে কৃষকরা ভালো লাভবান হতে পারেন। অফ সিজনে যারা এ তরমুজ চাষ করেছে তাদের যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করলে আমরা সহযোগিতা করবো। এছাড়া, নতুন করেও যদি কেউ অফ সিজনে তরমুজ চাষ করতে আগ্রহী হয়, তাদেরকেও আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করবো।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন