
দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
`ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড মুসলিম বাজার এলাকায় জমি লগ্নির ও দোকানের টাকা না দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পার্শ্ববর্তী চরফ্যাশন উপজেলার চরকলমী ইউনিয়নের মো. জাফরের বিরুদ্ধে।
গত ২০ মার্চ রাতে জমি লগ্নি ও ট্রাক্টর মালিকের ও দোকানের টাকা না দিয়ে রাতে আধারে তরমুজ নিয়ে পালিয়ে যায় বলে জানান, দোকানদার ও জমি লগ্নি দাতা ও ট্রাক্টর মালিক মো. আনোয়ার হোসেন ও এলাকাবাসী। এরপর ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন নিরুপায় হয়ে লালমোহন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী মো. আনোয়ার হোসেন জমাদার অভিযোগ করে বলেন, তরমুজ চাষ করতে আমাদের কাছ থেকে চরকলমীর জাফর ১৬ একর জমি লগ্নি নেয়। তরমুজ খুব ভালো ফলন হয়েছে এবার। জাফরের কাছ থেকে টাকা চাইতে গেলে সে আমাকে নানা অযুহাত দেয়। সব তরমুজ বিক্রি করে আমার টাকা দিবে। কিন্তু এরমধ্যে হঠাৎ একদিন গিয়ে দেখি জমিনে কোন তরমুজ নাই। তারপর আমি এলাকাবাসীদের জানাই, এলাকাবাসী বলে জাফর তো গত রাতে তরমুজ নিয়ে পালিয়ে গেছে। কিন্তু পালিয়ে গিয়েও আমার বিরুদ্ধে এলাকার একটি কুচক্রী মহলের যোগসাজশে আমার এলাকায় আমাকে ছোট করতে বিভিন্ন ফেক আইডি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে লেখালেখি করছে। এলাকার লোকজন আমাকে মান্য করেন। যাতে এলাকার লোকজন আমাকে ঘৃণা করেন। কিন্তু আমার এলাকার লোকজন আমার সম্পর্কে জানেন। আমি কি রকম মানুষ। রবং সে দোকান ও এলাকার অনেকের টাকা না দিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় এলাকার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ওই এলাকার মো. জিয়াউল হক, আমীর হোসেন,নুরুল হক, শাহাবুদ্দিন, তুহিন, তরমুজ চাষী আব্বাস, বেগম জানান, চরমুজ চাষী জাফর আমাদের এলাকায় চরমুজ চাষ করছেন আনোয়ার হোসেন জমাদার ও আরও অনেকের জমি লগ্নি নিয়ে সব জমি আনোয়ার জমাদারের মাধ্যমে নিছে। গত ২০ মার্চ রাতের আঁধারে জাফর তরমুজ নিয়ে পালিয়ে গেছে। আনোয়ার হোসেন জমাদার ও দোকানের টাকা না দিয়ে চলে গেছে। এখন আনোয়ার জমাদার নিরুপায় হয়ে অনেকের টাকা দিয়ে দিছে। আমরা একালাবাসী এই ভন্ড প্রতারক জাফরের দৃষ্টান্ত মূলত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মো. জাফরের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, তরমুজ চাষিদের ইতিহাসে এমন কোন ঘটনা নাই। কারও টাকা না দিয়ে চলে গেছে।
এবিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, টাকা পয়সা লেনদেন না দিয়ে চাষি পালিয়েছে এমন একটা ঘটনা শুনেছি। আমরা যাচাই-বাছাই করতেছি। যদি সত্যি হয় তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করব।