1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
লালমোহনে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news লালমোহনে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লালমোহনে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৮ জুন, ২০২৫
  • ৯৯ বার পঠিত
Spread the love
দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মো. ফাহিম (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিচ্ছিন্ন চরকচুয়াখালী থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। যুবক ফাহিম ওই এলাকার মো. রুহুল আমিন হেজুর ছেলে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে; ফাহিমকে মারধর করে তার ঘরে নিয়ে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখেন শ্বশুর বাড়ির লোকজন।
অভিযোগ করে ওই যুবকের বাবা মো. রুহুল আমিন হেজু জানান, বিয়ে করার পর স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে আলাদা থাকতো ফাহিম। ঈদের দিন (শনিবার) সকালে আমি তাদের দাওয়াত দেই। এরপর তারা এসে দুপুরের খাবার খায়। তবে বিকেলের দিকে কাউকে কিছু না বলেই ফাহিমের স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর ফাহিম এলাকার অন্যদের সঙ্গে ক্যারাম খেলছিলেন। সন্ধ্যার দিকে তার স্ত্রী তাকে লোক পাঠিয়ে ডাকলে সে তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে। এ সময় তার পাশে থাকা ভায়রা এসব শুনতে পেয়ে বাড়িতে গিয়ে শ্বশুরসহ অন্যান্য আত্মীয়দের জানান।
তিনি আরও জানান, এরপর রাতে আমার ছেলে ফাহিমকে ফোনে কল দিয়ে ডেকে বাড়িতে নেন তার শ্বশুর আব্দুল খালেক। সেখানে নিয়ে তাকে ওই গালিগালাজের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা। একপর্যায়ে ফাহিমের শ্বশুর, শালা ও ভায়রাসহ কয়েকজন মিলে বেধড়ক মারধর করেন। তাই আমাদের ধারণা; তাদের মারধরের একপর্যায়ে ফাহিম মারা গেলে তার ঘরে নিয়ে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। ভোরে আমার স্ত্রী রহিমা বিবি তাকে খুঁজতে গেলে ফাহিমের ঘরের দরজা বন্ধ দেখে। এরপর জানালা দিয়ে উঁকি দিলে ভেতরের গলায় দড়ি পেঁচানো অবস্থায় ফাহিমকে ঝুলন্ত দেখতে পায় সে। পরে আমার স্ত্রী ডাকচিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন গিয়ে থানা পুলিশকে খবর দেন।
এ ব্যাপারে যুবক ফাহিমের শ্বশুর আব্দুল খালেক বলেন, আমার মেয়ে কয়েকদিন ধরে আমাদের বাড়িতে বেড়াচ্ছে। যার জন্য জামাই ফাহিম আমাদের বাড়িতে আসেন। এরপর তিনি রাতেই আমার মেয়েকে নিয়ে যেতে চাইলে সে রাতের বেলায় যেতে রাজি হয়নি। যার জন্য জামাই রেগে তার ছোট্ট ছেলেকে লাথি মারে। এ জন্য আমার আরেক জামাই ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে একটি ধাক্কা দেয়। ঘটনা কেবল এতটুকুই, এর বেশি কিছু না। তাকে কোনো ধরনের মারধর করা হয়নি। হয়তো অভিমানে জামাই ফাহিম আত্মহত্যা করেছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এরপর তারা ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনেন। ময়নাতদন্তের জন্য ওই যুবকের মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন