1. admin@dipkanthonews24.com : admin :
  2. sajidahmed848000@gmail.com : Sahol Ahmed : Sahol Ahmed
লালমোহন হাসপাতালে নিয়োগই ছিলো না, তবুও একাধিক দায়িত্ব পালন করতেন মিজান - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news লালমোহন হাসপাতালে নিয়োগই ছিলো না, তবুও একাধিক দায়িত্ব পালন করতেন মিজান - দ্বীপকন্ঠ নিউজ || Dipkantho news
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে চর মোজাম্মেলে ব্লক নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে পাল্টা-পাল্টি সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে বীর বিক্রম ক্রীড়া একাডেমির উৎসবমুখর পরিবেশে অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন লালমোহনে খাটের নিচ থেকে জেলেদের ১১৭০ কেজি চাল উদ্ধার নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্র হিমেলকে ফিরে পেতে মা-নানুর আকুতি তজুমদ্দিনে ব্লকনেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও ১টি মোটর বাইকসহ ৫ জনকে আটক তজুমদ্দিনে কৃষি কার্ডের উদ্বোধন: কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক সেবার নতুন দিগন্ত শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসকের পদোন্নতিতে শরীয়তপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাউফলে কালাইয়া ও দশমিনা নৌ পুলিশের আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লালমোহন হাসপাতালে নিয়োগই ছিলো না, তবুও একাধিক দায়িত্ব পালন করতেন মিজান

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৫ বার পঠিত
Spread the love

দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ

লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়োগই ছিলো না তার। তবুও তিনিই ছিলেন লালমোহন হাসপাতালের অফিস সহকারী, পরিসংখ্যান ও কম্পিউটার অপারেটরের দায়িত্বে। নির্দিস্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিকে প্রতিবছর টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া সহ হাসপাতালের গোপনীয় সকল কাজ তাকে দিয়েই করানো হতো। লালমোহন গজারিয়ার ৪নং ওয়ার্ডের ¬¬মো. মিজানুর রহমান-এর আউটসোর্সিংয়ে ওয়ার্ডবয় পদে নিয়োগ ছিলো পার্শ্ববর্তী তজুমদ্দিন উপজেলায়। ২০১৯ সাল থেকে তজুমদ্দিনে তার নিয়োগ থাকলেও তিনি লালমোহন হাসপাতালে বসেই বেতন নিতেন ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত। ৫ আগস্ট পরবর্তী সরকার পতনের পর তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তার আউট সোর্সিংয়ের চাকরী বাতিল করে দেওয়া হয়। একই সাথে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেও বেশ কয়েকজন আউট সোর্সিংয়ের ওয়ার্ডবয়, কর্মী অনুপস্থিত থাকায় তাদেরও চাকরি বাতিল হয়ে যায়। এই সুযোগে মিজানের চাকরি লালমোহনে বহাল করে দেন তারই চাচা লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের রহস্যময় দীর্ঘমেয়াদী ‘প্রধান সহকারী’ মো. নুরুজ্জামান। নুরুজ্জামানের ক্ষমতা বলেই মিজানুর রহমান অন্য হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ থাকলেও লালমোহন হাসপাতালেই থাকতেন। প্রথম দিকে নুরুজ্জামান কম্পিউটারে কাজ করানোর জন্য মিজানুর রহমানকে লালমোহন হাসপাতালে এনে তার কক্ষের মধ্যেই পাশেই ডেস্ক খুলে বসিয়ে দেয়। এরপর সুযোগ বুঝে তজুমদ্দিন থেকে আউটসোর্সিংয়ের ওয়ার্ডবয় পদে তার নিয়োগ নিয়ে দেওয়া হয়। নুরুজ্জামান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দুইজনেই যোগসাজস করে মিজানকে দিয়ে গোপনীয় কাজগুলো করাতেন। নির্দিস্ট ঠিকাদারকে প্রতিবছর হাসপাতালের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া সহ অর্থনৈতিক কাজ, পরিসংখ্যান বিভাগের কাজ এগুলো মিজানের মাধ্যমে করানো হতো। এমনকি সরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ঢাকা, বরিশালে হাসপাতাল থেকে কাউকে পাঠানোর জন্য বলা হলে সেখানেও মিজানকে পাঠানো হতো। অথচ সরকারি নিয়োগকৃত লালমোহন হাসপাতালের স্থায়ী স্টাফদের সবসময় উপক্ষো করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। একজন ওয়ার্ডবয় পদে নিয়োগকৃত অন্য উপজেলার আউটসোর্সিংয়ের কর্মীকে দিয়ে লালমোহন হাসপাতালের সর্বশেষ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তৈয়বুর রহমান ও প্রধান সহকারী নুরুজ্জামান নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যবহার করতেন বলে অভিযোগ। যেখানে লালমোহন হাসপাতালে তার নিয়োগই ছিলো না এবং তজুমদ্দিন হাসপাতালের আউটসোর্সিংয়ের ওয়ার্ডবয়ের থাকার কথা ওয়ার্ডে; সেখানে তাকে দিয়ে করানো হতো গুরুত্বপূর্ণ একাধিক দপ্তরের কাজ। যা প্রশাসনিক নীতিমালা ও আউটসোর্সিংয়ের নিয়মের পরিপন্থী বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি হাসপাতালে থাকা বেশ কিছু নিয়মিত কর্মচারীও বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতেন। তারা মনে করেন, এই ধরনের কাজ হাসপাতালের শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নষ্ট করেছে। বিষয়টি নিয়ে মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনিও তার নিয়োগ তজুমদ্দিনের ছিলো বলে স্বীকার করেন। বর্তমানে লালমোহন হাসপাতালে নিয়োগ হয়েছে এবং ওয়ার্ডবয় পদে আউটসোর্সিং কর্মী। তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তৈয়বুর রহমান ও প্রধান সহকারী নুরুজ্জামান ভোলায় বদলীয় হয়ে যান। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ডাঃ মহসিন জানান, বিষয়টি তখনকার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা বলতে পারবেন। প্রশাসনিক বিষয় তিনি বলতে পারতেন না। যতটুকু জানেন, অফিস সহকারী ও কম্পিউটারে দক্ষ লোক না থাকায় তার চাচা প্রধান সহকারী মো. নুরুজ্জামানই তাকে নিয়ে এসেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো পড়ুন