
দ্বীপকন্ঠ নিউজ ডেস্কঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের মোহাম্মদপুর থানা শাখার আওতাধীন ৩৩ নং ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ জাহিদ হোসেনকে বহিষ্কারের ঘোষণায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। তারা একে “ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক” সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন।
তৃণমূলের অসংখ্য নেতাকর্মী জানান, মোঃ জাহিদ হোসেন গত এক যুগ ধরে সততা, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের সাথে কৃষক দলের হয়ে কাজ করছেন। দলের আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি পর্বে তিনি সামনের সারিতে থেকেছেন। বিশেষ করে বিরোধী দলের দমন-পীড়নের কঠিন সময়েও তিনি সাহসিকতার সাথে রাজপথে থেকেছেন এবং কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
তাদের মতে, এমন একজন ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বহিষ্কার করা দলের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, দলে বিভাজন সৃষ্টির জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে জাহিদ হোসেনকে টার্গেট করেছে। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত কৃষক দলকে দুর্বল করবে এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করবে।
বহিষ্কারের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মোঃ জাহিদ হোসেন বলেন –
“আমি সবসময় দলের হয়ে কাজ করেছি, মাঠে-ঘাটে কৃষকের পক্ষে লড়েছি, নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। অথচ আমাকে মিথ্যা অভিযোগে বহিষ্কার করা হলো, যা সম্পূর্ণ অন্যায় ও অমানবিক। আমি বিশ্বাস করি, প্রকৃত সত্য একদিন উন্মোচিত হবেই। আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল ও বিএনপির পতাকা সমুন্নত রাখবো।”
সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে স্থানীয় কৃষক দল নেতাকর্মীরা বলেন –
“অবিলম্বে এই ষড়যন্ত্রমূলক সিদ্ধান্ত বাতিল করে জাহিদ হোসেনকে তার পদে পুনর্বহাল করতে হবে। একইসাথে ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।”
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, “এই অন্যায্য সিদ্ধান্ত বাতিল না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে আমরা বাধ্য হবো।”