কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, গত ১৬ বছর তারেক জিয়া ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে আমরা সকল আন্দোলন সফল হযেছি। আমার আপনার চাঁদাবাজি কিংবা পাশের বাজারের দোকান দখল দারিত্বের জন্য কিন্তু তারেক রহমান ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন করেননি। বাংলাদেশে গত ১৬ বছর পর্যন্ত মানুষের মনে যিনি গনতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার আগ্রহ জাগ্রত করেছিলেন তিনি হলেন আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান। আমরা তার আকাঙ্খা ধারন করি।আমাদের কাঙ্খিত আর্জন এখনও অর্জিত হয়নি। কিন্তু দুভার্গ্যের বিষয় অনেকেই দখল দারিত্বে নেমে গেছেন।চাঁদাবাজিতে নেমে গেছেন। কিন্তু আপনাদের খেয়াল রাখা দরকার রাজনীতির গুনগতমান ইতিমধ্যে পরিবর্তন হয়েছে। গনসংবর্ধণা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথি আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সমতল ভুমি থেকে পাহাড়ী অঞ্চল পর্যন্ত প্রতিটি মানুষকে একই পরিচয় আবদ্ব করার জন্য বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক করেছেন। শুধু তাই নয় দেশ মাটি,জীবন, ধর্ম,শিক্ষা ও সংস্কৃতি ধারন করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহ মানের রাহীম সংযোজন করে মুসলমানদের সন্মানিত করেছেন।ইসলাম ধর্মের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছেন।তিনি বাংলাদেশে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি শুরু করে ছিলেন যা ৭২ এর সংবিধানে ছিলনা। যিনি একটি শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি আমাদের উপহার দিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন,শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গত ১৬ বছর নিন্দার শিকার হয়েছেন,মিথ্যাচারের শিকার হয়েছেন,ইতিহাস বিকৃতির শিকার হয়েছেন কিন্তু তার জনপ্রিয়তা বাংলাদেশে বিন্দু মাত্র কমেনি।
তিনি আরও বলেন,স্বাধীন রাষ্ট্রে বাংলাদেশের নাম ছিল কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা ছিলনা। বাংলাদেশে পার্লামেন্ট ছিল কিন্তু তা কার্যকর ছিলনা। নির্বাচন কমিশন ছিল কিন্তু আমাদের ভোটাধিকার ছিলনা। আদালত ছিল কিন্তু ন্যায় বিচার থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি। রেব ছিল,পুলিশ ছিল কিন্তু এদের আতংকে আমরা ঘরে ঘুমাতে পারিনি। প্রশাসন ছিল কিন্তু নিরপেক্ষতা ছিলনা। পররাষ্ট্র নীতি ছিল কিন্তু নতজানু রাষ্ট্র নীতির কারনে বাংলাদেশ মানুষের উপহাসের পাত্র ছিল। তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদী আমলের সরকার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্যকে বন্ধক রেখে হলেও ক্ষমতাকে পাকাভুক্ত করতে চেয়েছিল।
মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার প্রানকেন্দ্র হাজির হাট বাজারে বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত গনসংবর্ধণা সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি সহসভাপতি ডা. মোঃ কামালউদ্দিন। আয়োজিত গনসংবর্ধণা সভায় বক্তব্য রাখেন ভোলা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও জেলা বিএনপির সদস্য ইয়ারুল আলম লিটন,মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক হাজির হাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান হাওলাদার,চরফ্যাশন সাবেক চেয়ারম্যান কাজী মঞ্জুর হেসেন,মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সেলিম মোল্লা,জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস মোঃ তরিকুল ইসলাম কায়েদ,বরিশাল মহানগর যুবদলের সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন,বরিশাল জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. মোঃ তসলিম,ভোলা জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জামালউদ্দিন লিটন,সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান,মনপুরা উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহিম ফরাজী,মনপুরা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ শামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা,সাবেক ছাত্রদল সভাপতি এ্যাড. মোঃ ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এই সময় সাবেক হাজিরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন মেম্বার, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম,সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামালউদ্দিন,উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক মোঃ ইকরামুল কবির,সদস্য সচিব মোঃ শাহীন,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ মিজানুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ হোসেন হাওলাদার, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ নুরুউদ্দিন তুহিনসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারন জনগন উপস্থিত ছিলেন।